Qawmi Times
  • PBID: 0018004600000002
  • 32 people like this
  • 46 Posts
  • 1 Photos
  • 0 Videos
  • Reviews
  • Media - News Company
Search
Recent Updates
  • ইরানে যুদ্ধে ২৪০ শিশু নিহত, ১৮ হাজারের বেশি আহত। নারী-শিশুর হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে...

    #Iran #ChildCasualties #MiddleEastConflict #HumanRights #QawmiTimes
    ইরানে যুদ্ধে ২৪০ শিশু নিহত, ১৮ হাজারের বেশি আহত। নারী-শিশুর হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে... #Iran #ChildCasualties #MiddleEastConflict #HumanRights #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    ইরানে যুদ্ধবিমান হামলায় ২৪০ শিশু নিহত, ১৮ হাজারের বেশি আহত: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় - কওমী টাইমস
    ইরানে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধে প্রাণহানির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যার বড় শিকার হচ্ছে শিশুরা। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২৪০ জন শিশু নিহত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক চরম মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে।ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এক দাপ্তরিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'আগ্রাসী শত্রু পক্ষ' কর্তৃক পরিচালিত হামলায় এখন পর্যন্ত হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। গত ১৫ মার্চ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, নিহতের তালিকায় অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ২০৪ জন (অন্যান্য তথ্যে মোট ২৪০ জন), যার মধ্যে ১৩ জন শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে।মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৮,২৫৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১,০৭০ জন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ৭৩৫ জনের শরীরে জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১,২৭৫ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক, যাদের মধ্যে ৪৫ জন শিশুর বয়স ২ বছরেরও কম। নারী হতাহতের সংখ্যাও উদ্বেগজনক; এখন পর্যন্ত ২২৬ জন নারী নিহত এবং ৩,০০২ জন আহত হয়েছেন।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে এই সংঘাতের সূচনা হয়। ওই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেসিসহ প্রায় ১,৩০০ মানুষ নিহত হন। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এমন উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালায়। এই পাল্টাপাল্টি হামলায় বিশ্ববাজার এবং এভিয়েশন সেক্টরে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ইরানের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এই বিপুল পরিমাণ আহত মানুষের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
    Like
    1
    0 Comments 0 Shares 174 Views
  • কাবুলে মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভয়াবহ বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ নিহত, ২৫০ আহত। আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্ক নতুন করে সংঘাতের মুখে।

    #Afghanistan #Pakistan #KabulAirstrike #SouthAsiaConflict #BreakingNews #QawmiTimes
    কাবুলে মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভয়াবহ বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ নিহত, ২৫০ আহত। আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্ক নতুন করে সংঘাতের মুখে। #Afghanistan #Pakistan #KabulAirstrike #SouthAsiaConflict #BreakingNews #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    কাবুলে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাকিস্তানের ভয়াবহ বিমান হামলা: নিহত অন্তত ৪০০ - কওমী টাইমস
    আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি বড় মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাকিস্তানের ভয়াবহ বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতের এই হামলায় নিরাময় কেন্দ্রটির বিশাল অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। আফগান কর্তৃপক্ষ একে 'মানবতাবিরোধী অপরাধ' হিসেবে অভিহিত করলেও পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা নির্দিষ্ট সন্ত্রাসী আস্তানা লক্ষ্য করে এই অভিযান চালিয়েছে।আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে অবস্থিত ২,০০০ শয্যাবিশিষ্ট 'ওমিদ মাদকাসক্তি নিরাময় হাসপাতালে' সোমবার রাত প্রায় ৯টার দিকে পাকিস্তান বিমান বাহিনী হামলা চালায় বলে নিশ্চিত করেছেন আফগান সরকারের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি জানান, এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৪০০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং প্রায় ২৫০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে তল্লাশি চালাচ্ছে, ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,
    Like
    1
    0 Comments 0 Shares 204 Views
  • জালেমের বিরুদ্ধে ও মজলুমের পাশে থাকবে তুরস্ক। মুসলিম ঐক্য ও বিশ্বব্যাপী নিপীড়িতদের সহায়তায় দৃঢ় অবস্থানের বার্তা দিলেন তিনি।

    #Erdogan #Turkey #MuslimUnity #GlobalPolitics #RamadanSpeech #IslamicUnity #QawmiTimes
    জালেমের বিরুদ্ধে ও মজলুমের পাশে থাকবে তুরস্ক। মুসলিম ঐক্য ও বিশ্বব্যাপী নিপীড়িতদের সহায়তায় দৃঢ় অবস্থানের বার্তা দিলেন তিনি। #Erdogan #Turkey #MuslimUnity #GlobalPolitics #RamadanSpeech #IslamicUnity #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    ফিলিস্তিন থেকে আরাকান, মজলুমের পাশে থাকার ঘোষণা এরদোগানের - কওমী টাইমস
    বিশ্বজুড়ে চলমান মানবিক সংকট ও মুসলিম দেশগুলোতে অস্থিরতার মাঝে নতুন আশার বাণী শোনালেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তুরস্ক সর্বদা জালিমের বিরুদ্ধে এবং মজলুমের পক্ষে সোচ্চার থাকবে। সোমবার রাতে ইস্তাম্বুলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি মুসলিম উম্মাহকে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় পবিত্র রমজান মাসব্যাপী আয়োজিত কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এক আবেগঘন ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। তার বক্তব্যে উঠে এসেছে ফিলিস্তিন, লেবানন, সুদান, সোমালিয়া, ইয়েমেন এবং আরাকানের নির্যাতিত মানুষের আর্তনাদ।এরদোগান তার বক্তব্যে দৃঢ়তার সাথে বলেন,
    Like
    2
    0 Comments 0 Shares 248 Views
  • বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ—জাতিসংঘ সতর্কবার্তা দিয়েছে। মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, বৈষম্য ও অনলাইন ঘৃণা বন্ধে এখনই জরুরি বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রয়োজন।

    #Islamophobia #HumanRights #UN #ReligiousFreedom #UnitedNations #VolkerTurk #QawmiTimes
    বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ—জাতিসংঘ সতর্কবার্তা দিয়েছে। মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, বৈষম্য ও অনলাইন ঘৃণা বন্ধে এখনই জরুরি বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রয়োজন। #Islamophobia #HumanRights #UN #ReligiousFreedom #UnitedNations #VolkerTurk #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    যেখানেই মুসলিমবিদ্বেষ, সেখানেই নিন্দার আহ্বান জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধানের - কওমী টাইমস
    বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে মুসলিমবিরোধী ঘৃণা ও সহিংসতা। এই প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এক কড়া বার্তায় জানিয়েছেন, মুসলিমবিদ্বেষী ঘৃণা যেখানেই দেখা যাক না কেন, আমাদের অবশ্যই তার তীব্র নিন্দা জানাতে হবে। ১৫ মার্চ ‘ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বিশ্বনেতাদের এই বৈষম্য দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা ইসলামোফোবিয়া বা মুসলিমবিদ্বেষী ঢেউ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পবিত্র রমজান মাসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো দেখাচ্ছে যে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের প্রতি হয়রানি, বৈষম্য এবং সহিংসতার ঘটনা নজিরবিহীনভাবে বাড়ছে।ভলকার তুর্ক উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের ফলে ইন্টারনেটে মুসলিমবিরোধী কন্টেন্ট বা প্রচারণার পরিমাণ নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাস্তায় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুসলিমরা সরাসরি হামলার শিকার হচ্ছেন, ভাঙচুর করা হচ্ছে মসজিদ। বিশেষ করে হিজাব পরিহিত নারী ও কিশোরীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভয়াবহ ঘৃণ্য মন্তব্যের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছেন। আবাসন, কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও অনেক দেশে মুসলিমদের প্রতি চরম বৈষম্য করা হচ্ছে, যা কোথাও কোথাও আইনি রূপও পেয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু দেশ তাদের সন্ত্রাসবিরোধী নীতিকে মুসলিমদের ওপর নজরদারি ও গণ-গ্রেপ্তারের হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহার করছে। এমনকি সীমান্ত ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষ মুসলিম প্রধান দেশগুলো থেকে আসা ব্যক্তিদের আলাদাভাবে 'প্রোফাইলিং' বা চিহ্নিত করছে, যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।তুর্ক মনে করেন, ইসলামোফোবিয়ার শিকড় অনেক গভীরে এবং এটি সাম্রাজ্যবাদ ও ঐতিহাসিক ধর্মীয় উত্তেজনার সাথে যুক্ত। ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো একসময় 'ভাগ করো এবং শাসন করো' নীতির মাধ্যমে মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মের মানুষের মধ্যে অবিশ্বাসের দেয়াল তৈরি করেছিল। বর্তমানেও রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে অনেক নেতা মুসলিমদের সামগ্রিক সমস্যার মূল কারণ হিসেবে উপস্থাপন করে তাদের 'অমানুষ' হিসেবে তুলে ধরছেন। যখন সাধারণ মানুষ দেখে যে উসকানিমূলক কাজের বিচার হচ্ছে না, তখন তারাও মুসলিমদের ওপর হামলা করতে উৎসাহিত হয়।জাতিসংঘের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রগুলোর দায়িত্ব হলো মুসলিমসহ সকল মানুষকে সহিংসতা ও হয়রানি থেকে রক্ষা করা। তিনি এই সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর আইন প্রণয়ন এবং জনসচেতনতা তৈরির ওপর জোর দেন। তিনি কিছু দেশের ইতিবাচক পদক্ষেপের প্রশংসা করলেও জানান যে, মানবিক সমাজ গঠনে আরও অনেক কিছু করা বাকি।
    Like
    1
    0 Comments 0 Shares 208 Views
  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা জোরদারে প্রায় ৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা বিবেচনায় সরকারের। কওমি সনদের স্বীকৃতি জটিলতা সমাধানে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী মিলন।

    #BangladeshEducation #PrimaryEducation #ReligiousEducation #TeacherRecruitment #EducationPolicy #QawmiTimes
    প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা জোরদারে প্রায় ৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা বিবেচনায় সরকারের। কওমি সনদের স্বীকৃতি জটিলতা সমাধানে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী মিলন। #BangladeshEducation #PrimaryEducation #ReligiousEducation #TeacherRecruitment #EducationPolicy #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা, কওমি সনদের জটিলতার কথাও জানালেন মন্ত্রী - কওমী টাইমস
    দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রসারে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে নবনির্বাচিত সরকার। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের একটি প্রস্তাব বর্তমানে সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।১৫ মার্চ, সংসদ অধিবেশনে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সরকারের এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের '১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি'র আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা খাতে ব্যাপক সংস্কারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এই সংস্কারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক ও ধর্মীয় সচেতনতা তৈরি করা।মন্ত্রী জানান, বড় পরিসরে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কওমি মাদ্রাসা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সনদের স্বীকৃতি। কওমি মাদ্রাসার অনেক শিক্ষার্থী 'কিরাত' বা কোরআন তেলাওয়াতে অত্যন্ত দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও মূলধারার শিক্ষাক্রমের সাথে সামঞ্জস্য না থাকায় প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দিচ্ছে। তবে সরকার যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে এই সনদ-সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে।ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্বারোপ করতে গিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, এই উদ্যোগ কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্মের জন্য নয়। তিনি বলেন,
    Like
    1
    0 Comments 0 Shares 196 Views
  • রাস্তা সম্প্রসারণে শতাধিক দোকান-বাড়ি ও মসজিদ ভাঙার অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, উচ্ছেদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মুসলিম ব্যবসায়ী ও পরিবারগুলো।

    #ReligiousFreedom #India #VaranasiMuslims #HumanRightsIndia #SaveDalmandi #QawmiTimes
    রাস্তা সম্প্রসারণে শতাধিক দোকান-বাড়ি ও মসজিদ ভাঙার অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, উচ্ছেদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মুসলিম ব্যবসায়ী ও পরিবারগুলো। #ReligiousFreedom #India #VaranasiMuslims #HumanRightsIndia #SaveDalmandi #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    মন্দিরের পথ প্রশস্তের অজুহাতে উচ্ছেদ: বুলডোজারের নিচে পিষ্ট মুসলিম জনপদ - কওমী টাইমস
    ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে অবস্থিত ঐতিহাসিক মুসলিম প্রধান জনপদ ‘দালমন্ডি’ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার মুখে। কাশী বিশ্বনাথ ধাম মন্দিরের পথ প্রশস্ত করার অজুহাতে সরকার পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে শত শত বছরের স্মৃতি, জীবিকা এবং ধর্মীয় স্থাপনা বিপন্ন। উন্নয়নের নামে এই বুলডোজার নীতি স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দাদের অস্তিত্বের সংকটে ফেলে দিয়েছে।বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, কাশী বিশ্বনাথ ধামের পথ প্রশস্ত করার জন্য এই ২২৪ কোটি রুপির প্রকল্পটি অপরিহার্য। বারাণসী মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মতে, দালমন্ডির রাস্তা ১৭.৪ মিটার চওড়া করা হলে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত সহজতর হবে। কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ৩১ জানুয়ারি প্রায় ৩০টিরও বেশি স্থাপনাকে ‘ঝরঝর’ বা ‘অনিরাপদ’ হিসেবে চিহ্নিত করে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং তিন দিনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।সরকার সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে নয়, বরং শহরের অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ। তবে আন্দোলনকারীদের ধরপাকড় এবং দোকানদার আজমতের আত্মাহুতির চেষ্টার ঘটনাকে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হিসেবে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন।বারাণসীর হৃদপিণ্ড হিসেবে পরিচিত দালমন্ডি মূলত একটি মুসলিম অধ্যুষিত বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকা। গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে এখানে বড় আকারের উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ১৮০টি দোকান, ঘরবাড়ি এবং ৬টি প্রাচীন মসজিদ উচ্ছেদের তালিকায় রয়েছে।সাবেক মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলর নাগমি সুলতানের মতো অনেক বাসিন্দা তাদের সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে গড়া ঘরবাড়ি হারানোর শোকে স্তব্ধ। আদিল খানের মতো যুবকরা জেল থেকে ফিরে দেখছেন তাদের ছাদ অর্ধেকটা বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এই উচ্ছেদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারগুলো। ৭০ বছরের পুরনো ‘তাজ হোটেল’ থেকে শুরু করে ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খাঁর স্মৃতিবিজড়িত গলিগুলো এখন ধ্বংসের প্রতীক্ষায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৯ সালের পুরনো রেটে নামমাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে এবং ভাড়াটেদের জন্য কোনো পুনর্বাসনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি।বারাণসী জেলা আদালতের আইনজীবী রাজেন্দ্র পাণ্ডের মতে, ‘অনিরাপদ’ ভবনের অজুহাতটি একটি আইনি ফাঁক মাত্র। অনেক ক্ষেত্রে আদালতের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও উচ্ছেদ চালানো হচ্ছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আরিফ মোহাম্মদ আক্ষেপ করে বলেন, দালমন্ডির ইতিহাস গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতির ধারক ছিল, যা এখন সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের রাজনীতির শিকার হচ্ছে।আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুযায়ী, যেকোনো উচ্ছেদের আগে যথাযথ পুনর্বাসন এবং নাগরিকের সম্মতির প্রয়োজন। ভারতের সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মাথা গোঁজার ঠাঁই পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। উন্নয়নের সুফল যদি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে বাস্তুচ্যুত করে অর্জিত হয়, তবে তা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। মুসলিম জনপদের রাজনৈতিক ভোটাধিকার খর্ব করার যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রাখে।
    Like
    1
    0 Comments 0 Shares 242 Views
  • যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের প্রতিবেদনে ভারতে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় অধিকার নিয়ে বাড়ছে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ। যুক্তরাষ্ট্রের কমিশন আরএসএসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে

    #ReligiousFreedom #India #RSS #HumanRights #USCIRF #QawmiTimes
    যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের প্রতিবেদনে ভারতে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় অধিকার নিয়ে বাড়ছে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ। যুক্তরাষ্ট্রের কমিশন আরএসএসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে #ReligiousFreedom #India #RSS #HumanRights #USCIRF #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ: আরএসএস ও গোয়েন্দা সংস্থা 'র'-এর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ - কওমী টাইমস
    আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক মার্কিন কমিশন (USCIRF) তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) এবং গোয়েন্দা সংস্থা 'র'-এর ওপর সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার হরণ এবং পদ্ধতিগত নিপীড়নের অভিযোগে এই চরম পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।দীর্ঘদিন ধরে ভারতের হিন্দুত্ববাদী আদর্শের সমালোচক, মানবাধিকার কর্মী এবং বুদ্ধিজীবীরা আরএসএস-এর কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন। সমালোচকদের দাবি, ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট আদর্শিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা চাপিয়ে দিতে চায়। তাদের মতে, আরএসএস-এর প্রভাব বলয় ভারতের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এমন এক পরিবেশ তৈরি করেছে যেখানে মুসলিম, খ্রিস্টান, দলিত এবং আদিবাসীরা ক্রমশ প্রান্তিক হয়ে পড়ছে। সমালোচকদের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে, ভারতে ধর্মীয় সহিংসতার ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় নয়, বরং এটি একটি সুদূরপ্রসারী আদর্শিক এজেন্ডার অংশ। তবে এই সমালোচনাগুলোকে প্রায়শই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে 'পক্ষপাতদুষ্ট' বা 'বিদ্বেষপ্রসূত' বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।১৫ মার্চ ওয়াশিংটনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইউএসসিআইআরএফ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে গেছে। প্রতিবেদনে ভারতের প্রভাবশালী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) এবং বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (RAW)-কে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে।বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায় এই কাঠামোগত বৈষম্যের প্রধান শিকারে পরিণত হয়েছে। নাগরিকত্ব আইন, উপাসনালয় বিতর্ক এবং সামাজিক বয়কটের মাধ্যমে তাদের কোণঠাসা করার অভিযোগ আনা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিন্দুত্ববাদী আদর্শের প্রচার ও প্রসারের ফলে সংখ্যালঘু মুসলিমদের নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার আজ হুমকির মুখে। এটি কেবল উগ্রবাদী গোষ্ঠীর কাজ নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর নীরবতা বা পরোক্ষ সমর্থন এখানে বড় ভূমিকা রাখছে।ইউএসসিআইআরএফ একটি দ্বিপাক্ষিক ও স্বাধীন মার্কিন উপদেষ্টা সংস্থা। যদিও তাদের সুপারিশ মার্কিন সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক নয়, তবে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং জাতিসংঘের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের সনদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র তার প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে দায়বদ্ধ।মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যখন কোনো দেশের প্রভাবশালী আদর্শিক সংগঠন বা রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে ধর্মীয় নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে, তখন সেখানে স্বচ্ছ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। ভারতের সংবিধানের ২৫-২৮ অনুচ্ছেদে যে ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার বাস্তবায়ন নিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন উঠছে। এই সংকটময় মুহূর্তে আন্তর্জাতিক মহলের উচিত কেবল উদ্বেগ প্রকাশ না করে কার্যকর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
    Like
    1
    0 Comments 0 Shares 215 Views
  • ইউনেস্কো সদর দপ্তরে প্রথমবার পালিত হলো ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক দিবস। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সংলাপের মাধ্যমে মুসলিমবিদ্বেষ মোকাবিলায় বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা।

    #IslamophobiaDay #UNESCO #HumanRights #ReligiousFreedom #QawmiTimes
    ইউনেস্কো সদর দপ্তরে প্রথমবার পালিত হলো ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক দিবস। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সংলাপের মাধ্যমে মুসলিমবিদ্বেষ মোকাবিলায় বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা। #IslamophobiaDay #UNESCO #HumanRights #ReligiousFreedom #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    ইউনেস্কোতে প্রথমবারের মতো পালিত হলো আন্তর্জাতিক ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধ দিবস - কওমী টাইমস
    ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও মুসলিম বিদ্বেষ মোকাবিলায় এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO)-তে প্রথমবারের মতো পালিত হলো 'আন্তর্জাতিক ইসলামোফোবিয়া বিরোধী দিবস'। তুরস্কের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বিশেষ প্যানেল আলোচনায় বিশ্বনেতৃবৃন্দ এবং বিশেষজ্ঞরা ইসলামোফোবিয়া বা মুসলিম বিদ্বেষ দূর করতে শিক্ষা ও আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। ঘৃণা ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়তে আন্তর্জাতিক সংহতির আহ্বান জানানো হয় এই অনুষ্ঠান থেকে।ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে ১৫ মার্চ এই বিশেষ দিবসটি উদযাপিত হয়। ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (OIC) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বর্তমান সভাপতি হিসেবে তুরস্কের নেতৃত্বে
    Like
    1
    0 Comments 0 Shares 215 Views
  • বাংলাদেশ ও তুরস্ক কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে সম্মত হয়েছে। আঙ্কারায় দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি ও গাজা পরিস্থিতিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    #BangladeshTurkeyRelations #StrategicPartnership #Diplomacy2026 #DhakaAnkara #GlobalCooperation #QawmiTimes
    বাংলাদেশ ও তুরস্ক কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে সম্মত হয়েছে। আঙ্কারায় দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি ও গাজা পরিস্থিতিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। #BangladeshTurkeyRelations #StrategicPartnership #Diplomacy2026 #DhakaAnkara #GlobalCooperation #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    ঢাকা-আঙ্কারা কৌশলগত সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার অঙ্গীকার: জাতিসংঘে বাংলাদেশকে সমর্থন - কওমী টাইমস
    বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর করতে একমত হয়েছে ঢাকা ও আঙ্কারা। শনিবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের আমন্ত্রণে আঙ্কারায় তাঁর কার্যালয়ে বৈঠকে মিলিত হন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর এটিই দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) আগামী অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি তুরস্কের পূর্ণ ও দ্ব্যর্থহীন সমর্থন ঘোষণা করেন। এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের উদীয়মান অর্থনীতিতে তুরস্কের বিনিয়োগের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি তুরস্কে রপ্তানির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়, যা উভয় দেশের শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে কূটনৈতিক প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এদিন তুরস্কের ডিপ্লোমেসি একাডেমি এবং বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে দুই দেশের কূটনীতিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে যৌথ কর্মসূচির পথ প্রশস্ত হলো।বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই মন্ত্রী গাজা পরিস্থিতি সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অমীমাংসিত ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং বিশেষ করে মুসলিম উম্মাহর স্বার্থ রক্ষায় উভয় দেশ একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। বৈঠক শেষে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের সম্মানে একটি ইফতার ও কর্মভোজের আয়োজন করেন।
    Like
    1
    0 Comments 0 Shares 257 Views
  • মেঘালয়ের পশ্চিম গারো পাহাড়ে নির্বাচনী উত্তেজনায় ভয়াবহ সহিংসতা—দুই মুসলিম নিহত, ৩০টির বেশি দোকান ও মসজিদে আগুন। আতঙ্কে বহু পরিবার আসামে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

    #Meghalaya #GaroHills #Muslim #HumanRights #JusticeForMeghalaya #QawmiTimes
    মেঘালয়ের পশ্চিম গারো পাহাড়ে নির্বাচনী উত্তেজনায় ভয়াবহ সহিংসতা—দুই মুসলিম নিহত, ৩০টির বেশি দোকান ও মসজিদে আগুন। আতঙ্কে বহু পরিবার আসামে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। #Meghalaya #GaroHills #Muslim #HumanRights #JusticeForMeghalaya #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    মেঘালয়ে নির্বাচন ঘিরে ভয়াবহ সহিংসতা: দুই মুসলিম নিহত, মসজিদ ও দোকানে অগ্নিসংযোগ - কওমী টাইমস
    ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম গারো পাহাড় জেলায় স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ (GHADC) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর হামলায় দুই মুসলিম যুবক নিহত হয়েছেন, পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একটি মসজিদ এবং অন্তত ৩০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। প্রাণভয়ে শত শত মুসলিম পরিবার ভিটেমাটি ছেড়ে প্রতিবেশী রাজ্য আসামে আশ্রয় নিয়েছে। আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও অ-উপজাতীয়দের নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা দিতেই এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।মেঘালয়ের প্রভাবশালী উপজাতীয় সংগঠন এবং গারা ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (GNLA) ও ফেডারেশন অফ খাসি-জৈন্তিয়া অ্যান্ড গারো পিপল (FKJGP)-এর মতো গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘ দিন ধরে দাবি করে আসছে যে, মেঘালয় শুধুমাত্র আদিবাসীদের জন্য। তাদের দাবি, অ-উপজাতীয় মুসলিমরা এবং তাদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো অধিকার নেই।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, জনৈক গারো নেতা মুসলিমদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলছেন,
    0 Comments 0 Shares 215 Views
  • পিলখানায় বিজিবির তিন দিনব্যাপী আযান ও ক্বেরাত প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মহাপরিচালক। শুদ্ধ তিলাওয়াত ও সুললিত আযান চর্চায় সৈনিকদের উৎসাহিত করাই ছিল আয়োজনের লক্ষ্য।

    #BGB #Bangladesh #QiratCompetition #Azan #Dhaka #QawmiTimes
    পিলখানায় বিজিবির তিন দিনব্যাপী আযান ও ক্বেরাত প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মহাপরিচালক। শুদ্ধ তিলাওয়াত ও সুললিত আযান চর্চায় সৈনিকদের উৎসাহিত করাই ছিল আয়োজনের লক্ষ্য। #BGB #Bangladesh #QiratCompetition #Azan #Dhaka #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    বিজিবিতে আযান ও ক্বেরাত প্রতিযোগিতা: বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দিলেন মহাপরিচালক - কওমী টাইমস
    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মধ্যে ধর্মীয় শৃঙ্খলা ও শুদ্ধ উচ্চারণে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত এবং আযানের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত 'আযান ও ক্বেরাত প্রতিযোগিতা-২০২৬' সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার পিলখানায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। তিন দিনব্যাপী চলা এই প্রতিযোগিতায় বিজিবির বিভিন্ন সেক্টরের বাছাইকৃত শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগীরা অংশ নেন।সীমান্ত রক্ষার কঠিন দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সৈনিকদের আত্মিক উন্নয়ন ও ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চাকে উৎসাহিত করতে বিজিবি প্রতিবছরই এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। গত ১১ মার্চ থেকে পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যাটালিয়ন ও সেক্টর থেকে আসা প্রতিযোগীদের মধ্যে কঠোর প্রতিযোগিতার পর আজ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।শুক্রবার দুপুরে পিলখানার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। তিনি বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তিনি বলেন, পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা সৈনিকদের চারিত্রিক দৃঢ়তা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।প্রতিযোগিতায় দুটি বিভাগে বিজয়ীরা তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন:আযান প্রতিযোগিতা: এতে রামু সেক্টরের টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) ল্যান্স নায়েক মোহাম্মদ জাকারিয়া ১ম স্থান এবং ঢাকা ব্যাটালিয়নের (৫ বিজিবি) সিপাহী মো. সাইফুল ইসলাম ২য় স্থান অর্জন করেন।ক্বেরাত প্রতিযোগিতা: পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতে শ্রীমঙ্গল সেক্টরের হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৫ বিজিবি) নায়েক মো. বিলাল আহমদ ১ম স্থান এবং কুষ্টিয়া সেক্টর সদর দপ্তরের সিপাহী মো. রাকিবুল ইসলাম ২য় স্থান অধিকার করেন।পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজিবির উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা, সৈনিক এবং কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। বিজিবির এই উদ্যোগটি বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে শুদ্ধ ও সুললিত কণ্ঠে আযান এবং ক্বেরাত চর্চায় নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
    Like
    1
    0 Comments 0 Shares 218 Views
  • কাশ্মীরের শ্রীনগরে রমজানের শেষ জুমায় ঐতিহাসিক জামে মসজিদে জামাতের নামাজ বন্ধ করে দেয় প্রশাসন

    #Indiamuslim #Kashmir #Ramadan #JumatulWida #Srinagar #ReligiousFreedom #QawmiTimes

    কাশ্মীরের শ্রীনগরে রমজানের শেষ জুমায় ঐতিহাসিক জামে মসজিদে জামাতের নামাজ বন্ধ করে দেয় প্রশাসন #Indiamuslim #Kashmir #Ramadan #JumatulWida #Srinagar #ReligiousFreedom #QawmiTimes
    QAWMITIMES.COM
    শ্রীনগরের ঐতিহাসিক জামে মসজিদে জুমাতুল বিদা’র নামাজে নিষেধাজ্ঞা - কওমী টাইমস
    পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার বা জুমাতুল বিদা উপলক্ষে কাশ্মীরের ঐতিহাসিক জামে মসজিদে মুসলিমদের সমবেত হতে বাধা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলার অজুহাত দেখিয়ে মসজিদের প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং অল পার্টিস হুররিয়াত কনফারেন্সের চেয়ারম্যান মীরওয়াইজ উমর ফারুককে নিজ বাসভবনে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো দীর্ঘ বিবৃতি পাওয়া না গেলেও, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে শ্রীনগরের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের ইঙ্গিত অনুযায়ী, জুমাতুল বিদা এবং 'ইয়াওমুল কুদস' (ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি দিবস) একই দিনে হওয়ায় বড় ধরনের জনসমাগম থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বা বিক্ষোভের আশঙ্কা করে এই আগাম সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবাদ সংস্থা 'ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস'-এর শেয়ার করা চিত্রে দেখা যায়, মসজিদের আশেপাশে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং ব্যারিকেড দিয়ে পথ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানোই তাদের মূল লক্ষ্য।পবিত্র রমজানের বিদায়ী জুমায় অংশ নিতে কাশ্মীরের দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মুসল্লি শ্রীনগরের ঐতিহাসিক জামে মসজিদে সমবেত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ইসলামি ক্যালেন্ডারে জুমাতুল বিদা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ দিন। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কমিটি জানিয়েছে, এদিন সকাল থেকেই মসজিদের প্রধান ফটকগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেয় নিরাপত্তা বাহিনী।অল পার্টিস হুররিয়াত কনফারেন্সের চেয়ারম্যান এবং জামে মসজিদের খতিব মীরওয়াইজ উমর ফারুকের আজ সেখানে খুতবা দেওয়ার কথা ছিল। তবে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) জানিয়েছেন যে, তাকে পুনরায় গৃহবন্দী করা হয়েছে। মীরওয়াইজ তার পোস্টে মসজিদের তালাবদ্ধ গেটের ছবি শেয়ার করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি এই নিষেধাজ্ঞাকে ফিলিস্তিনের আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বাহিনীর বিধি-নিষেধের সঙ্গে তুলনা করেন।তিনি লেখেন,
    Like
    1
    0 Comments 0 Shares 242 Views
More Stories
Eilmbook https://eilmbook.com